করোনা আতঙ্কে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত আইপিএল স্থগিত রাখার ঘোষণা বোর্ডের

     

করোনা আতঙ্কে দু’সপ্তাহের জন্য পিছিয়ে গেল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখা হচ্ছে এ বারের টুর্নামেন্ট।  তার পরে টুর্নামেন্টের বল গড়ালে, তা-ও দর্শকহীন গ্যালারিতেই হওয়ার সম্ভাবনা।

শুক্রবার আইপিএল-এর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে টুর্নামেন্ট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন বোর্ডের শীর্ষকর্তারা। মুম্বইয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তাদের সঙ্গে এ ব্যাপারে বিশদে আলোচনা হবে। শনিবারই আইপিএল-এর গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠক রয়েছে। সেখানেই হয়তো সরকারি ভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে এ বারের সংস্করণের সূচি থেকে যাবতীয় বিষয়।    ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাতিল করে দেওয়া হয়েছে বিদেশিদের ভিসা। ফলে বিদেশি ক্রিকেটাররা ওই দিনের আগে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন না। করোনা আতঙ্কের পাশাপাশি বিদেশি ক্রিকেটারদের না থাকাটাকেও অন্যতম কারণ হিসাবে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেই বার্তায় আরও বলা হয়েছে, ‘‘বিসিসিআই তাদের সঙ্গে জড়িত সকলের স্বাস্থ্য সম্পর্কে চিন্তিত সঙ্গে সাধারণ মানুষেরও এবং তা নিশ্চিত করার জন্য যা যা ব্যবস্থা নিতে হবে তা নেওয়া হবে, যাতে আইপিএল-এর সঙ্গে থাকা প্রত্যেকটি মানুষ সুস্থ এবং নিরাপদ থাকেন।”

‘‘সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে বিসিসিআই সঙ্গে ক্রীড়া ও স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সঙ্গেও। এ ছাড়া এ বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যস্তরে যারা দায়িত্বে রয়েছে তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে বিসিসিআই,” জানানো হয়েছে বার্তায়।

শুক্রবারই দেশের রাজধানী দিল্লিতে সব রকমের স্পোটিং ইভেন্ট বাতিল করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে আইপিএল-ও। তার পরই আইপিএল স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্র সরকার ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সব রকমের ভিসা বাতিল করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছিল। যার ফলে নির্ধারিত সময়ে আইপিএল শুরু হলেও বিদেশিরা দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারতেন না। সঙ্গে খেলা করতে হতো খালি মাঠে। সব কিছু মিলিয়েই টুর্নামেন্ট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই।

দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা জনগণের প্রতি এই ভাইরাস রুখতে একসঙ্গে লড়াই করার জন্যে আবেদন করছি। সামাজিক সব দূরত্ব মিটিয়ে এই সময় সকলের এগিয়ে আসা উচিত। আমরা দিল্লির সব জেলা শাসক এবং উপ-জেলা শাসকদের স্বাস্থ্য বিভাগের সমস্ত আদেশ মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছি”।

আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি দিল্লি ক্যাপিটালসের হোম গ্রাউন্ড দিল্লি। একটা সময় মনে হয়েছিল ঘরের মাঠে খেলা হবে না এ বার দিল্লির। কিন্তু সময় পিছিয়ে দেওয়ায় সেই পরিস্থিতি কিছুটা সামলানো যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ভারতে এখনও পর্যন্ত ৭০ জনের শরীরের করোনাভাইরাস পাওয়া গিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close