দু’বার বিয়ে ‘Netaji’র? মৃত্যুর মতোই রহস্যে মোড়া ‘ব্যক্তি সুভাষ’

Netajiকে নিয়ে বাঙালির গর্বের শেষ নেই। নেতাজিকে নিয়ে বাঙালির কৌতূহলেরও শেষ নেই। নেতাজির মৃত্য রহস্য যেমন আজও ধোঁয়াশায় ঢাকা, নেতাজির প্রেমজীবনও। ঔপনিবেশিক শক্তি হিসেবে ভারত যাতে হাতছাড়া না হয় তাই স্বদেশী আন্দোলনের বিরুদ্ধে, বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে বিশেষ করে নেতাজির বিরুদ্ধে প্রচণ্ড দমনপীড়ন করছে ব্রিটিশ শক্তি। আজাদ হিন্দ বাহিনিকে রক্ষা করতে, দেশে স্বাধীনতা আনতে বাধ্য হয়ে একসময় দেশ ছাড়েন Subhas Chandra Bose। তাঁর ১২৩তম জন্মতিথিতে ফিরে দেখার চেষ্টা ব্যক্তি সুভাষ চন্দ্র বসুকে। কেমন ছিলেন রক্তমাংসের নেতাজি?

সংবাদমাধ্যমের সূত্র বলছে, বিদেশে অবস্থান কালে নেতাজি নাকি দু’বার বিবাহ বন্ধনে .বাঁধা পড়েছিলেন। নেতাজির প্রপৌত্র Sugata Bose তাঁর আত্মজীবনীতে জানিযেছেন, প্রথমবার Emilie Schenklকে বিয়ে করেন সুভাষ। ১৯৩৭ সালে গোপনে। তাঁদের একমাত্র কন্যা Anita Bose Pfaff। যদিও Justice Mukherjee commission-এর দাবি, এই বিয়ে হয়েছিল সম্ভবত ১৯৪২ সালে। তবে এমিলিকে বিয়ের কথা বারবার অস্বীকার করেছেন নেতাজি। এমনকি চিনে যাওয়ার ভিসা চৈরির সময় নিজের স্ট্যাটস লিখেছিলেন ‘সিঙ্গল‘। ওই বছরেই জন্ম অনিতার। ফলে, বিয়ের সঠিক সময় নিয়ে ধোঁয়াশা থাকছেই।

এদিকে  Indian Embassy in Prague mentions-র দাবি, ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৮-এর মধ্যে একাধিকবার Czechoslovakia গেছিলেন নেতাজি। প্রাগে ১৯৩৪ সালে Indo-Czech association-য়ের প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। তাই বিয়ের সময়কাল ১৯৩৭। কিন্তু সংবাদমাধ্যমের অন্য সূত্র বলছে, এমিলিকে বিয়ের পরে আরও একবার বিয়ে করেন সুভাষ চন্দ্র বোস। চেকস্লভাকিয়ার সেই মহিলা এবং সুভাষ চন্দ্রের বিয়ের ফসল আরও এক মেয়ে। যাঁকে সংক্ষেপে তাঁরা ‘Nima’ বলে ডাকতেন। সুভাষচন্দ্র বোসের আত্মজীবনী এই বিয়েকে সমর্থন করে। এবং বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়নি— এই দিকেও ইঙ্গিত করে। তাহলে নিজের দেশ থেকে সরে কোথায় আত্মগোপন করেছিলেন নেতাজি? দেশপ্রেমের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনেও সুভৈাষ একাধিকবার বার প্রেমে পড়েছেন! বিয়ে করেছেন? তাঁর অন্তর্ধান রহস্যের মতোই আজও এই দিক বিশাল ধাঁধাঁ।  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close