দিল্লি নির্বাচন : দেশকে টুকরো টুকরো করতে চায় আপ-কংগ্রেস’, তোপ মোদীর

     

দিল্লির ভোটপ্রচারে এসে অরবিন্দ কেজরীবালের সরকারের বিরুদ্ধে সেই জামিয়া মিলিয়া ও শাহিনবাগের বিক্ষোভকেই হাতিয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার কড়কড়ডুমার জনসভা থেকে মোদীর দাবি, বিক্ষোভকারীরা দেশের পতাকা ও সংবিধানকে সামনে রেখেই একের পর এক আইনবিরুদ্ধ কাজ করে চলেছেন। এই বিক্ষোভের পিছনে আম আদমি পার্টি (আপ) ও কংগ্রেসের চক্রান্ত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। অমিত শাহের মতো বিরোধীদের সরাসরি ‘টুকড়ে টুকড়ে গ্যাং’ বলে দাগিয়ে দেননি মোদী। তবে তারা দেশকে ‘টুকরো-টুকরো’ করতে চাইছে বলে ফের এক বার অভিযোগ করেছেন। কিন্তু, সিএএ বিরোধী বিক্ষোভে গুলি চালানো  নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি প্রধানমন্ত্রী।

এ দিনের জনসভায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের ফিরিস্তি তুলে ধরেছেন মোদী। সদ্য পেশ হওয়া বাজেট নিয়েও খরচ করেছেন অনেকটা সময়। তার পর ধাপে ধাপে তিনি চলে আসেন জামিয়া মিলিয়া ও শাহিনবাগে চলা সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) বিরোধী বিক্ষোভের প্রসঙ্গে। কেজরীবালের নাম না করে মোদী বলেন, ‘‘কিছু লোক রাজনীতি বদলাতে এসেছিলেন, কিন্তু এখন তাঁদের মুখোশ খসে গিয়েছে। এঁরাই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। সেনার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁদের অপমান করেছিলেন।’’ এর পর স্বভাবসিদ্ধ ভাবেই তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘‘এমন দিল্লি কি দিল্লিবাসী কখনও চেয়েছিলেন?’’ মোদী দাবি করেন, ‘‘একটা সময় ছিল, যখন দিল্লিতে প্রায়শই সন্ত্রাসবাদী হামলা হত। এই হামলায় জড়িতদেরই যখন বাটলা হাউসে পুলিশ মেরেছিল, তখন এঁরাই তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এঁরাই ভারতকে টুকড়ে-টুকড়ে করতে চায়।’’

এর পরই জামিয়া মিলিয়া ও শাহিনবাগ দীর্ঘদিন ধরে চলা বিক্ষোভের প্রসঙ্গ টেনে এনে ঘটনাক্রমকে এক সুতোয় গাঁথার চেষ্টা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘‘জামিয়া, শাহিনবাগ, গত কয়েকদিন ধরে সিএএ নিয়ে বিক্ষোভ চলছে। কিন্তু, এটা শুধুমাত্র বিক্ষোভ নয়। এটা আসলে ষড়যন্ত্রের ব্যবহারিক প্রয়োগ চলছে। এর পিছনে আপ ও কংগ্রেসের রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে।’’ ( সূত্র – আনন্দবাজার পত্রিকা)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close