জনস্বার্থে তথ্য ও পরামর্শ প্রকাশ করল WHO

     

চিনে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্ত ও তার প্রকোপে মৃতের সংখ্যা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’ (WHO) এই মারণ ভাইরাস সম্পর্কে জনস্বার্থে তথ্য ও পরামর্শ প্রকাশ করেছে (Public Information On Coronavirus)। ‘হু’ এই অসুখের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য বিষয়ক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। Xinhua news agency-র প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, ‘হু’ তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, ‘‘অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না, কেবল ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে।” তারা আরাও জানায়, এটিও যেহেতু ভাইরাস, তাই অ্যান্টি বায়োটিক এর মোকাবিল‌া করতে সক্ষম নয়। তবে এও বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি ওই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে তাঁকে অ্যান্টি বায়োটিক দেওয়া হতে পারে।

কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, ভাইরাস সংক্রমণের সঙ্গে যৌথভাবে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ যাতে না হয়, সে জন্যই ওই পদক্ষেপ করা হয়।

এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে কোনও নির্দিষ্ট ওষুধের সন্ধান মেলেনি। কিন্তু কয়েকটি সুস্থ হয়ে ওঠার ঘটনাকে পর্যবেক্ষণ করা হবে চিকিৎসার ব্যাপারে নতুন দিশা পেতে। ‘হু’ জানিয়েছে, এ নিয়ে তারা গবেষণা চালাচ্ছে।

‘হু’ আরও জানিয়েছে, সব বয়সের মানুষেরই এই অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বয়্স্ক মানুষদের অ্যাজমা, মধুমেহ কিংবা হৃদরোগের মতো অসুখ থাকলে তাঁদের এই ভাইরাসের প্রকোপে পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

পোষ্য কুকুর-বিড়ালের থেকে এই অসুখ ছড়াচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে ‘হু’ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনও প্রমাণ মেলেনি। তবে তারা জানিয়েছে, পোষ্যকে স্পর্শ করার পর হাত সাবান ও জল দিয়ে ধুয়ে নিতে। এতে পশু থেকে মানুষের শরীরে ইকোলাই বা সালমোনেলার মতো ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হওয়া প্রতিহত হবে।

সোমবাৱ চিনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৩৬১-তে। এখনও পর্যন্ত ১৭,২০৫ জন এই অসুখে আক্রান্ত হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৪৭৫ জন।

পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে ১৫২,০০০ জনকে। এঁদের মধ্যে ২১,৫৫৮টি সন্দেহজনক কেস রয়েছে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close