কোভিড ১৯ আপডেট: আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে

     

২৫ মার্চ সকাল ১০টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছে ৫৬২ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৫১২ জন। ছাড়া পেয়েছেন ৪০ জন। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের (দিল্লিতে মঙ্গলবার যিনি মারা গিয়েছেন তিনি, কোভিড নেগেটিভ)।

২৪ মার্চ রাত সাড়ে ১১টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ দিন রাত পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৩৬।

২৪ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা

আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তই। তবে সেটা যাতে সাংঘাতিক হারে না বাড়ে সেটাই চ্যালেঞ্জ কেন্দ্রের কাছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক এ দিন বিকেলে যে তথ্য দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি।

এ দিন বিকেল পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫১৯। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৪৭০। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। আর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৪০ জনকে।

২৪ মার্চ সকাল ১০টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে মঙ্গলবার সকাল দশটা পর্যন্ত ভারতের কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯২। এর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৪৪৬। মৃত্যু হয়েছে ন’জনের। ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৩৬ জনকে আর এক জনকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সারা ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৬৭। ৩৪ জন পুরোপুরি সুস্থ। এঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯। হিমাচল প্রদেশ থেকে প্রথম মৃত্যুর খবর এসেছে। টান্ডার হাসপাতালে মারা গিয়েছেন ৬৯ বছরের এক তিব্বতি শরণার্থী। ১৫ মার্চ তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরেছিলেন। রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (স্বাস্থ্য) আর ডি ধীমান এই খবর দিয়েছেন।

২৩ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা

আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৪৩৩।

২১ মার্চ সকাল ১০টা

শুক্রবার বিকেলে সংখ্যাটা ছিল ২২৩। ১৫ ঘণ্টা পর সংখ্যাটা আরও ৩৫ বাড়ল। ফলে বর্তমানে দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ২৫৮। আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি মহারাষ্ট্রে (৫২)। এর পর রয়েছে কেরল (৪০) এবং দিল্লি (২৬)

২০ মার্চ বিকেল ৫:৩০

ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল অনেকটাই। বর্তমানে ২২৩ জনের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, এঁদের মধ্যে ২৩ জন পুরোপুরি সুস্থ।

সকালে পঞ্চম ব্যক্তির কোভিড ১৯-এ মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে ওই ব্যক্তি কোভিড ১৯ থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। তার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ফলে এখনও পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ মৃতের সংখ্যা ৪-ই রয়েছে।

২০ মার্চ সকাল ১১:৫০

করোনাভাইরাসের দাপটে পঞ্চম মৃত্যু ভারতে। শুক্রবার সকালে জয়পুরে মারা গিয়েছে ৬৯ বছর বয়সী ইতালীয় পর্যটক। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫। আক্রান্ত বেড়ে ২০৬।

২০ মার্চ সকাল ৯:১৫

ভারতে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯৫। শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের প্রকাশিত রিপোর্টে এমনটাই জানানো হয়েছে। এঁদের মধ্যে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। ছেড়ে দেওয়া হয়েছে কুড়ি জনকে।

এ দিকে গোটা বিশ্বে কোভিড ১৯-এ মৃতের সংখ্যা দশ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর নিরিখে চিনকে পেছনে ফেলে দিয়েছে ইতালি। এই মুহূর্তে কোভিড ১৯-এ ইতালিতে মৃত্যু হয়েছে ৩,৪০৫ জনের। চিনের মৃতের সংখ্যা ৩,২৪৮।

১৯ মার্চ বিকেল ৫টা

নোভেল করোনাভাইরাসে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৭৯। এর মধ্যে দু’জন আইসিইউতে, তিন জন মৃত আর ছাড়া পেয়েছেন ১৫ জন।

১৯ মার্চ দুপুর সাড়ে বারোটা

দেশে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৭৪।

১৯ মার্চ সকাল ১০টা

সংবাদসংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬৯।

১৯ মার্চ সকাল ৮টা

ভারতে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৬৬। অর্থাৎ, গত বারো ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ১৫। এর মধ্যে তেলঙ্গানায় ইন্দোনেশিয়ার সাত জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। রাজস্থানে আক্রান্ত হয়েছেন তিন জন। স্বস্তির খবর এই যে এখনও পর্যন্ত কোনো আক্রান্তই আইসিইউতে নেই। পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৫ জন।

এ দিকে ইতালিতে মৃত্যুমিছিল থামানো তো যাচ্ছেই না, উলটে আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে কোভিড ১৯-এর জেরে। এটাই ২৪ ঘণ্টায় ইটালিতে সর্বোচ্চ মৃত্যু। সে দেশে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২,৯৭৮। ইরানে নতুন করে ১৪৭, স্পেনে ১০৫ আর ফ্রান্সে নতুন করে ৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

১৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা

বুধবার সন্ধ্যায় জানা যায়, দেশের করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ছুঁয়েছে ১৫১। দেশে এক দিনে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ জন।

১৮ মার্চ সকাল ১০টা

ভারতে কোভিড ১৯ রোগীর সংখ্যা প্রায় দেড়শো ছুঁইছুঁই। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হল এই মুহূর্তে মোট ১৪৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জন বিদেশি এবং ১২২ জন ভারতীয়। সব থেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রে (৪১)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কেরল (২৭)। কোনো রোগীই আইসিইউতে নেই।

১৭ মার্চ, সকাল সাড়ে আটটা– ভারতে এখন কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা ১১৯। এঁদের মধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে, ১৩ জন ছাড়া পেয়ে গিয়েছেন। একজন রোগী আইসিইউতে রয়েছেন। বাকিদের সবার অবস্থা স্থিতিশীল।

কোভিড ১৯ ছড়িয়ে পড়া আটকাতে দেশ জুড়ে নানা রকম বিধিনিষেধ জারি করেছে কেন্দ্র। জমায়েত বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

কেন্দ্রের এই নির্দেশের পরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মীয় স্থানগুলি সাধারণ তীর্থযাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছে তাজ মহলও (Taj Mahal)। মধ্যপ্রদেশের উজ্জ্বয়িনীতে (Ujjain) মহাকালেশ্বর মন্দিরে এ দিন সকালে ভস্ম আরতি অনুষ্ঠিত হয়েছে কোনো ভক্তসমাগম ছাড়াই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close